00:00
00:00

Premium
লাইটহাউস  in bengali | undefined undefined मे |  Audio book and podcasts

Story | 179mins

লাইটহাউস  in bengali

AuthorTeam Mixing Emotions
ভূমধ্য সাগরের উপকণ্ঠে গড়ে ওঠা ক্যাপেলা দ্বীপপুঞ্জের ঘটনা। ডাচ পরিবার এসে উপস্থিত হয় সেই দ্বীপপুঞ্জে। সেখানকার অধিকাংশ মানুষের উপজীবিকা হিসাবে পরিগণিত হত মাছ চাষ। তবে ডাচদের কাছে একটি ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্য হিসাবে ক্যাপেলা নিজের মাহাত্ম্য বিস্তারে সক্ষম হয়েছিল। জেইনসন ও তার পরিবার শান্তিপূর্ণভাবেই সেখানে বসবাস করতে শুরু করেছিলেন। জেইনসনকে এখানকার অধিবাসীরা একটি পুরনো চার্চের বিশপের পদে আসীন হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। সময়টা এভাবেই অতিবাহিত হয়ে যাচ্ছিল কিন্তু হঠাৎ করে পরিস্থিতির মধ্যে এত বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। বাইরে থেকে এক ভয়ঙ্কর রোগের জীবাণু ক্যাপেলাতে অনুপ্রবেশ করল। এই প্লেগ রোগের দ্বারা আক্রান্ত হতে শুরু করলেন ওই অঞ্চলের প্রায় সকলেই ।এমনকি জেইনসন এর পরিবারের উপরেও নেমে এলো এক করুণ অভিশাপ। তার স্ত্রী ক্যাথরিন এই কঠিন রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পড়লেন এবং তারপর মৃত্যুকে বরণ করতে বাধ্য হলেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পর জেইনসনের জীবনে সবকিছু হঠাৎ বদলে গেল। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে একদিন কুঠার তুলে নিলেন হাতে আর নিজের দুই শিশু কন্যার শিরশ্ছেদ করলেন। তারপর ওই মৃতদেহগুলি কে ওই স্থানে ফেলে রেখে এগিয়ে চললেন লাইটহাউস টির দিকে। এই লাইটহাউস সপরিবারে তাদের বসবাসের সুবন্দোবস্ত ছিল কিন্তু একটা সময় পর সব কিছু সময়ের চাবিকাঠি মেপে ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল। লাইটহাউস থেকে পড়ে আত্মহত্যা করলেন জেইনসন ।এরপর ক্যাপেলা ভয়ঙ্কর সব দুর্ঘটনা ঘটতে শুরু করলো। অন্যান্য দেশ থেকে আগত ব্যবসায়ীরা এই অঞ্চল থেকে ভৌতিক অঞ্চল রূপে চিহ্নিত করতে শুরু করেছিলেন, এই অঞ্চলটিকে মৃতদের রাজ্য বলে অভিহিত করতেও কেউ কার্পণ্যতা করেননি। ব্যবসায়ীদের অভিমুখে ক্যাপেলা তখন কোনো বাণিজ্যিক ক্ষেত্র হিসেবে আর পর্যবসিত হচ্ছিল না সেটি হয়ে উঠেছিল এক মৃতদের বাসস্থান। ঠিক এই সময়ে ঘটলো এক নতুন দুর্ঘটনা। সেইসময় ডাচ রা পর্তুগীজদের নিজের আস্তানায় প্রবেশ করতে দিতেন না। সকলেই জানেন তো ওই অঞ্চলটি অতিক্রম করার সময় হয় কোন ভয়াবহ ঝড়ের সম্মুখীন হতে হতো আর তা না হলে সামুদ্রিক জলদস্যুদের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।ওই অঞ্চলটি অতিক্রম করার সময় বহু জাহাজই নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত । পর্তুগীজদের একটি জাহাজ ওই একই ভাবে সামুদ্রিক ঝড়ের বশবর্তী হয়ে একদিন গভীর রাতে ওই দ্বীপপুঞ্জে এসে আছড়ে পড়বে। ইমানুয়েল এবং জ্যাকসন কে বাদ দিয়ে আর কেউই ওই জাহাজে জীবিত থাকবেন না। ক্যাপেলা তখন মৃত্যুর নগরী,সেখানে প্রাণের সঞ্চার নেই বললেই চলে। ওদের সাথে একের পর এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে থাকবে ।তারা ক্রমাগতভাবে আবিষ্কার করবে যে এটি কোন জীবিতদের আস্তানা নয় ।তাদের আশেপাশে যারা রয়েছেন,যারা কথা বলছেন, যারা যোগাযোগের চেষ্টা করছেন,তারা প্রায় সকলেই মৃত। শেষ পর্যন্ত যে ইনসান এর স্ত্রী ক্যাথরিন আবির্ভূত হবেন এবং তাদেরকে এই মৃতদের রাজ্য থেকে উদ্ধারে সাহায্য করবেন। বহু প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে শেষ পর্যন্ত জ্যাকসন জীবিত থাকতে পারবেন। ইমানুয়েল এর করুণ মৃত্যু তার জীবনের অধিকাংশ ক্ষেত্রকেই বদলে দিয়েছিল এবং ওই দ্বীপ এর সাথে লাগোয়া একটি নৌকাকে আশ্রয় করেই শেষপর্যন্ত জ্যাকসন মুক্ত হতে পারবেন। এই ভয়াল ভয়ঙ্কর অনুভূতি নিয়েই আবর্তিত হয়েছে এই গল্প লাইটহাউস। যা এক হাড়হিম সত্যকে মানুষের সামনে তুলে ধরবে । নতুন করে পুনরুজ্জীবিত হবে এক ভয়ঙ্কর ইতিহাস ।অজানা ইতিহাস রেখে যাবে নিজের আত্মতুষ্টি ।
Read More
Listens294
21 Episode
Details
ভূমধ্য সাগরের উপকণ্ঠে গড়ে ওঠা ক্যাপেলা দ্বীপপুঞ্জের ঘটনা। ডাচ পরিবার এসে উপস্থিত হয় সেই দ্বীপপুঞ্জে। সেখানকার অধিকাংশ মানুষের উপজীবিকা হিসাবে পরিগণিত হত মাছ চাষ। তবে ডাচদের কাছে একটি ঔপনিবেশিক সাম্রাজ্য হিসাবে ক্যাপেলা নিজের মাহাত্ম্য বিস্তারে সক্ষম হয়েছিল। জেইনসন ও তার পরিবার শান্তিপূর্ণভাবেই সেখানে বসবাস করতে শুরু করেছিলেন। জেইনসনকে এখানকার অধিবাসীরা একটি পুরনো চার্চের বিশপের পদে আসীন হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। সময়টা এভাবেই অতিবাহিত হয়ে যাচ্ছিল কিন্তু হঠাৎ করে পরিস্থিতির মধ্যে এত বড় পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। বাইরে থেকে এক ভয়ঙ্কর রোগের জীবাণু ক্যাপেলাতে অনুপ্রবেশ করল। এই প্লেগ রোগের দ্বারা আক্রান্ত হতে শুরু করলেন ওই অঞ্চলের প্রায় সকলেই ।এমনকি জেইনসন এর পরিবারের উপরেও নেমে এলো এক করুণ অভিশাপ। তার স্ত্রী ক্যাথরিন এই কঠিন রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে পড়লেন এবং তারপর মৃত্যুকে বরণ করতে বাধ্য হলেন। স্ত্রীর মৃত্যুর পর জেইনসনের জীবনে সবকিছু হঠাৎ বদলে গেল। মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে একদিন কুঠার তুলে নিলেন হাতে আর নিজের দুই শিশু কন্যার শিরশ্ছেদ করলেন। তারপর ওই মৃতদেহগুলি কে ওই স্থানে ফেলে রেখে এগিয়ে চললেন লাইটহাউস টির দিকে। এই লাইটহাউস সপরিবারে তাদের বসবাসের সুবন্দোবস্ত ছিল কিন্তু একটা সময় পর সব কিছু সময়ের চাবিকাঠি মেপে ধুলিস্মাৎ হয়ে গেল। লাইটহাউস থেকে পড়ে আত্মহত্যা করলেন জেইনসন ।এরপর ক্যাপেলা ভয়ঙ্কর সব দুর্ঘটনা ঘটতে শুরু করলো। অন্যান্য দেশ থেকে আগত ব্যবসায়ীরা এই অঞ্চল থেকে ভৌতিক অঞ্চল রূপে চিহ্নিত করতে শুরু করেছিলেন, এই অঞ্চলটিকে মৃতদের রাজ্য বলে অভিহিত করতেও কেউ কার্পণ্যতা করেননি। ব্যবসায়ীদের অভিমুখে ক্যাপেলা তখন কোনো বাণিজ্যিক ক্ষেত্র হিসেবে আর পর্যবসিত হচ্ছিল না সেটি হয়ে উঠেছিল এক মৃতদের বাসস্থান। ঠিক এই সময়ে ঘটলো এক নতুন দুর্ঘটনা। সেইসময় ডাচ রা পর্তুগীজদের নিজের আস্তানায় প্রবেশ করতে দিতেন না। সকলেই জানেন তো ওই অঞ্চলটি অতিক্রম করার সময় হয় কোন ভয়াবহ ঝড়ের সম্মুখীন হতে হতো আর তা না হলে সামুদ্রিক জলদস্যুদের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল।ওই অঞ্চলটি অতিক্রম করার সময় বহু জাহাজই নিশ্চিহ্ন হয়ে যেত । পর্তুগীজদের একটি জাহাজ ওই একই ভাবে সামুদ্রিক ঝড়ের বশবর্তী হয়ে একদিন গভীর রাতে ওই দ্বীপপুঞ্জে এসে আছড়ে পড়বে। ইমানুয়েল এবং জ্যাকসন কে বাদ দিয়ে আর কেউই ওই জাহাজে জীবিত থাকবেন না। ক্যাপেলা তখন মৃত্যুর নগরী,সেখানে প্রাণের সঞ্চার নেই বললেই চলে। ওদের সাথে একের পর এক ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটতে থাকবে ।তারা ক্রমাগতভাবে আবিষ্কার করবে যে এটি কোন জীবিতদের আস্তানা নয় ।তাদের আশেপাশে যারা রয়েছেন,যারা কথা বলছেন, যারা যোগাযোগের চেষ্টা করছেন,তারা প্রায় সকলেই মৃত। শেষ পর্যন্ত যে ইনসান এর স্ত্রী ক্যাথরিন আবির্ভূত হবেন এবং তাদেরকে এই মৃতদের রাজ্য থেকে উদ্ধারে সাহায্য করবেন। বহু প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে শেষ পর্যন্ত জ্যাকসন জীবিত থাকতে পারবেন। ইমানুয়েল এর করুণ মৃত্যু তার জীবনের অধিকাংশ ক্ষেত্রকেই বদলে দিয়েছিল এবং ওই দ্বীপ এর সাথে লাগোয়া একটি নৌকাকে আশ্রয় করেই শেষপর্যন্ত জ্যাকসন মুক্ত হতে পারবেন। এই ভয়াল ভয়ঙ্কর অনুভূতি নিয়েই আবর্তিত হয়েছে এই গল্প লাইটহাউস। যা এক হাড়হিম সত্যকে মানুষের সামনে তুলে ধরবে । নতুন করে পুনরুজ্জীবিত হবে এক ভয়ঙ্কর ইতিহাস ।অজানা ইতিহাস রেখে যাবে নিজের আত্মতুষ্টি ।